ব্রাহ্মণত্ব লাভ কাকে বলে?

ব্রাহ্মণত্ব লাভ মানে ব্রহ্মসাক্ষাৎকার- বৃদ্ধিসাক্ষাৎকার- কারণ সাক্ষাৎকার, কিসে কি হয় অর্থাৎ কাৰ্য্যকারণ-সম্বন্ধে তাদের জানা। এই জানা-মানুষকে বলে আচার্য্য।
আচাৰ্য্যকে ধ’রে, তাঁকে ভালবেসে, তাঁর কথা মত কাজ ক’রে অন্যেও ব্রাহ্মণ হতে পারে। ব্রাহ্মণ হ’লে সকলের পূজ্য হয়।

একজন শূদ্র যদি ব্রাহ্মণ বা ব্রহ্মজ্ঞ হয়, সেও বিপ্রের গুরু হ’তে পারে, কিন্তু জামাতা হ’তে পারে না। কারণ, ব্যক্তিগত সাধনার দিক দিয়ে সে উন্নততর হ’লেও পিতৃপুরুষাগত বীজ-সম্পদের দিক দিয়ে সে ন্যূন।

ব্রহ্মজ্ঞ সবকিছুরই explanation (ব্যাখ্যা) জানে। ধর, ঐ বকুল গাছটা (হাত দিয়ে দেখালেন)—এটা কেন, কী দিয়ে, কী ভাবে এমন হলাে, কী তার বৈশিষ্ট্য তা সে analytically (বিশ্লেষণাত্মকভাবে) ও synthetically (সংশ্লেষণাত্মকভাবে) অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে জানে।

তাই বৈশিষ্ট্য-অপঘাতী নীতি তাঁর কাছে কখনও সমর্থনলাভ করে না। Prophet (প্রেরিত)-দের সবারই এক কথা। তাঁরা সব সময় বৈশিষ্ট্যকে পালন করেন, সবকিছুর সামঞ্জস্য সাধন করেন। হিন্দু-মুসলমান ইত্যাদি বলে তাদের কাছে ভেদ থাকে না।

Leave a Reply